Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১০ মার্চ ২০২০

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল নির্মাণ প্রকল্প

প্রকল্পের নাম

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল নির্মাণ প্রকল্প

প্রকল্পের অবস্থান

পতেঙ্গা ও আনোয়ারা, চট্রগ্রাম।

ম্যাপ

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল নির্মাণ প্রকল্প

প্রাক্কলিত ব্যয় (মিলিয়ন)

  • মোটঃ                                  ৯৮৮০৪০.৩৮ টাকা
  • বাংলাদেশ সরকারঃ                ৩৯৬৭২১.১৪ টাকা
  • প্রকল্প সহয়তাঃ                       ৫৯১৩১৯.২৪ টাকা

নির্মাণের কারণ

  • চট্রগ্রাম শহরে নিরবচ্ছিন্ন ও যুগোপোযুগী সড়ক যোগাযোগ ব্যাবস্থা গড়ে তোলা এবং বিদ্যমান সড়ক যোগাযোগ ব্যাবস্থার আধুনিকায়ন।
  • এশিয়ান হাইওয়ের সাথে সংযোগ স্থাপন।
  • কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীর  ঘেঁষে গড়ে ওঠা শহরের সাথে ডাউন টাউনকে যুক্ত করা এবং উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিতকরণ।
  • চট্রগ্রাম পোর্টের বিদ্যমান সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিকরণ এবং প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দরের নির্মাণ কাজ ত্বরান্বিতকরণ।
  •  ঢাকা-চট্রগ্রাম-কক্সবাজার এর মধ্যে নতুন একটি সড়ক যোগাযোগ ব্যাবস্থা গড়ে তোলা।
  • কর্ণফুলী টানেল নির্মিত হলে চীনের সাংহাই শহরের ন্যয় চট্রগ্রাম শহরকে “One City Two Town” মডেল এ গড়ে তোলা।

অর্থনৈতিক প্রভাব

কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে এবং এশিয়ান হাইওয়ের সাথে সংযোগ স্থাপিত হবে। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে। কর্ণফুলী নদীর পূর্বপ্রান্তের প্রস্তাবিত শিল্প এলাকার উন্নয়ন ত্বারান্বিত হবে এবং পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত চট্টগ্রাম শহর, চট্টগ্রাম বন্দর ও বিমানবন্দরের সাথে উন্নত ও সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হবে। ফলে ভ্রমণ সময় ও খরচ হ্রাস পাবে এবং পূর্বপ্রান্তের শিল্পকারখানার কাঁচামাল ও প্রস্তুতকৃত মালামাল চট্টগ্রাম বন্দর, বিমানবন্দর ও দেশের উত্তরপ শ্চিমাঞ্চলে পরিবহন প্রক্রিয়া সহজ হবে। কর্ণফুলী নদীর পূর্ব প্রান্তের সাথে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের ফলে পূর্বপ্রান্তে পর্যটনশিল্প বিকশিত হবে।

 

সার্বিকভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থার সহজিকরণ, আধুনিকায়ন,  শিল্পকারখানার বিকাশ সাধন এবং পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের ফলে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্প নির্মিত হলে বেকারত্ব দূরীকরণসহ দেশের অর্থনৈতিকউন্নয়নে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

জিডিপি-তে ইতিবাচক প্রভাব

কর্ণফুলী টানেল নির্মিত হলে এলাকার আশে পাশে  শিল্পোন্নয়ন , পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে । ফলে দারিদ্র দূরীকরণসহ দেশের ব্যাপক আর্থসামাজিক উন্নয়ন সাধিত হবে । DPP মোতাবেক এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে  Financial এবং Economic IRR  এর পরিমান দাঁড়াবে যথাক্রমে ৬.১৯% এবং ১২.৪৯%। তাছাড়া, Financial  ও Economic “Benefit Cost Ratio (BCR)” এর পরিমান দাড়াবে যথাক্রমে ১.০৫ এবং ১.৫০ । ফলে কর্ণফুলী টানেল নির্মিত হলে জিডিপি তে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে ।

প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

  • কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে ৪ লেন বিশিষ্ট সড়ক টানেল নির্মিত হবে।
  • মূল টানেল ২টি টিউব সম্বলিত ও ৩.৪ কি.মি: দীর্ঘ এবং টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫.৩৫ কি:মি: এপ্রোচ রোড এবং ৭২৭ মিটার ওভার ব্রিজ (Viaduct) সম্পন্ন এই টানেলটি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাকে শহরাঞ্চলের সাথে সংযুক্ত করবে।
  • প্রকল্পটির প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৮৮০.৪০ কোটি টাকা। যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সহয়তা ৩৯৬৭.২১ কোটি টাকা এবং চীন সরকারের অর্থ সহয়তা ৫৯১৩.১৯ কোটি টাকা।

 

টানেল এল্যাইনমেন্ট:

টানেলের প্রবেশ পথ       : এয়ারপোর্ট থেকে কর্ণফুলী নদীর ২ কিলোমিটার ভাটির দিকে নেভি কলেজের নিকট

টানেলের বহির্গমন পথ    : আনোয়ারা প্রান্তে সারকারখানার নিকট

 

টানেল টাইপঃ   Dual Two Lane Tunnel

নির্মাণ কৌশলঃ     Shield Driven Method  

ছবি

ভিডিও

ভিডিও


Share with :

Facebook Facebook