Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৩ August ২০২০

গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রকল্প (বিআরটি, গাজীপুর-এয়ারপোর্ট), বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ অংশ

প্রকল্পের নাম

গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রকল্প (বিআরটি, গাজীপুর-এয়ারপোর্ট), বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ অংশ

প্রকল্পের অবস্থান

মূল প্রকল্প গাজীপুর থেকে শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট পর্যন্ত এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অংশ উত্তরা হাউজবিল্ডিং হতে টঙ্গী চেরাগ আলী মার্কেট পর্যন্ত

ম্যাপ

চুক্তি মূল্য

৯,৩৫১,২৯৭,৭০২.৩৮ টাকা (বিবিএ এর অংশ) 
নির্মাণের কারণ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চলমান জনসাধারন এবং গাজীপুরে অবস্থিত জনসাধারণের ঢাকার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত ও সহজীকরণ করার লক্ষ্যে প্রকল্পেটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

অর্থনৈতিক প্রভাব

বিআরটি প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ১০০টি আর্টিকুলেটেড বাসের মাধ্যমে প্রতি ঘন্টায় ২৫,০০০ মানুষ যাতায়াত করবে। এই প্রকল্পটি বাস্তাবায়িত হলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানজট অনেকটাই কমে যাবে। যাতায়াতে সময় কম লাগার কারণে প্রতিটি বাস আগের তুলনায় অধিকবার যাতায়াত করার ফলে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করতে পারবে। যাত্রীরা দ্রুত কর্মস্থলে পৌছার ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, যা অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন সাধন করবে। যাত্রীরা অর্থনৈতিক ভাবে উপকৃত হবেন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। এছাড়া ১০০টি আর্টিকুলেটেড বাসের টিকিট বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্জিত টাকা সরকারের রাজস্ব খাতকে শক্তিশালী করবে।

জিডিপি-তে ইতিবাচক প্রভাব

বিআরটি প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাস মালিক, ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও পথচারীরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যে শুল্ক প্রদান করবে তার ফলে সরকারের অর্থনৈতিক পরিধি ব্যাপক বৃদ্ধি পাবে এবং ইহা নিশ্চিত করে বলা যায় যে, এর ফলে জাতীয় অর্থনীতি ও জিডিপি (GDP) বৃদ্ধি পাবে। 

প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালে বিআরটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন।

  • ৪.৫ কিলোমিটার এলিভেটেড ফ্লাইওভার+সেতু; যার মধ্যে ৩.৫ কিলোমিটার ৬ লেন বিশিষ্ট এবং ১ কিলোমিটার ২ লেন বিশিষ্ট।
  • ৬টি এলিভেটেড স্টেশন
  • ১০ লেন বিশিষ্ট টঙ্গী সেতু


Share with :

Facebook Facebook