কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬ এ ০১:১৯ AM

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ২০২৬ উপলক্ষ্যে পদ্মা সেতু ও যমুনা সেতুতে রেকর্ড পরিমাণ টোল আদায় ও যানবাহন পারাপার

কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০৭-০৪-২০২৬

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব রবিউল আলম,এমপি এবং সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও কার্যকর দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন পদ্মা সেতু ও যমুনা সেতু দিয়ে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক যানবাহন পারাপার এবং সর্বোচ্চ টোল আদায়ের এক নতুন মাইলফলক অতিক্রান্ত হয়েছে।
সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থাকে সহজ ও আধুনিক করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এবং মাননীয় প্রতিমন্ত্রীও আসন্ন ঈদযাত্রা নিয়ে অত্যন্ত সজাগ এবং বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে দেখছেন।
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ২০২৬ উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে গৃহীত সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি এবং সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ফলে পদ্মা সেতুতে ২০২৬ সালের প্রথম ৩দিনে ১ লক্ষ ৯ হাজার ২৫ টি যানবাহন পারাপার হয়, ২০২৫-এ এই সংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ৮শত ২টি। ২০২৬ সালের প্রথম ৩ দিনে মোট টোল আদায় হয় ১২ কোটি ৫ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা, যা ২০২৫ সালে ছিল ১২ কোটি ৭৮ হাজার ৪০০টাকা।
একইভাবে যনুনা সেতুর ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ১৮ মার্চ ১দিনে সর্বোচ্চ ৫১,৩৮৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, ২০২৫-এ এই সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ ৪৮,৩৬৮টি। ২০২৬ সাল ১দিনে সর্বোচ্চ মোট টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৫১ লক্ষ ৮২ হাজার ৬০০ টাকা, যা ২০২৫ সালে ছিল ৩ কোটি ৪৬ লক্ষ ২৭ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০২৫ সালের তুলনায় যানবাহনের চাপ বেশি থাকলেও এই বছর বড় কোন দুর্ঘটনা বা যানজট পরিলক্ষিত হয়নি। এই পরিসংখ্যানগুলো দেশের সড়ক অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় সেতু কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা এবং দক্ষতার প্রতিফলন।
মাননীয় মন্ত্রী ও মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং সচিব, সেতু বিভাগ ও নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ঈদ-উল-ফিতর ২০২৬ উপলক্ষ্যে পদ্মা সেতু এবং যমুনা সেতু এলাকায় গৃহীত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপসমূহ নিম্নরূপ:
টোল কালেক্টরদের প্রশিক্ষণ প্রদান, অত্যন্ত দক্ষ টোল কালেক্টরদের নিয়োগ, সার্বক্ষণিক টোল লেন চালুর ব্যবস্থা, মোটর সাইকেল লেন বৃদ্ধি, নন-স্টপ ETC চালু, মাওয়া বাস-বে উন্মুক্তকরণ, সার্ভেইল্যান্স ক্যামেরার মাধ্যমে উন্নত ট্রাফিক মনিটরিং, উচ্চ পর্যায়ের সার্বক্ষণিক মনিটরিং টিম গঠন, দুর্ঘটনারোধে ব্যবস্থা গ্রহণ, যাত্রীদের জরুরি সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, এলেঙ্গা বাস-বে উন্মুক্তকরণ, সেতুর প্রতি ৫০০ মিটার পর পর সার্বক্ষনিক সিকিউরিটি গার্ড মোতায়েন,কর্ণফুলী টানেল থেকে আনা ১টি ভারী রেকারসহ মোট ৩টি রেকারের মাধ্যমে দ্রুত রেসকিউ কার্যক্রম সম্পন্নকরণ, ইমার্জেন্সি টোল লেন চালু ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ ইত্যাদি।
এই গৌরবময় অর্জনের পেছনে যাঁদের নিরবচ্ছিন্ন পরিশ্রম ও নিষ্ঠা রয়েছে—তাঁদের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এবং সেতু সচিব সচিবের প্রাজ্ঞ নেতৃত্ব, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাবৃন্দের পেশাদারিত্ব, এবং টোল আদায় ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর আন্তরিক প্রচেষ্টা বিশেষভাবে প্রশংসার দাবিদার।
এই সাফল্যের মাধ্যমে ঘরমুখো মানুষের ঈদ যাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক ও সুশৃঙ্খল হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা ও দায়িত্ববোধ এই সাফল্যকে সম্ভব করেছে। সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপকক্ষের নির্বাহী পরিচালক মহোদয়ের পক্ষ হতে দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
ফাইল ১
ফাইল ২
ফাইল ৩
ফাইল ৪

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন