কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ ০৯:১৪ PM
কন্টেন্ট: পাতা
ইলেক্ট্রনিক টোল কালেকশন সিস্টেম(ETC)
“ETC তে টোল দেব, দ্রুত সেতু পার হবো”
ডিজিটাল বাংলাদেশের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ যমুনা সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম টোল প্লাজায় গত ১৫ ডিসেম্বর ,২০২০ তারিখে পাইলটিং এর উদ্দেশ্যে ফাস্ট ট্র্যাক Electronic Toll Collection(ETC) লেন চালু করা হয়। ইলেক্ট্রনিক টোল কালেকশন সিস্টেম(ETC) হল এমন একটি সিস্টেম যা গ্রাহককে টোল গেট অতিক্রম করার সময় গাড়ি না থামিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল পরিশোধ করতে সক্ষম হয়। যমুনা সেতু দিয়ে গড়ে প্রতিদিন পায় ২০ হাজার গাড়ি পার হ্য়।এত বিপুল সংখ্যক গাড়ি হতে টোল আদায় করতে গিয়ে কোনো কোনো লেনে প্রায়ই ৩-৪টি গাড়ির লাইন তৈরী হয়ে যায়। এ ছাড়া ইদে বা বিভিন্ন উৎসবে গাড়ির সংখ্যা যখন ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যায় তখন লেনে গাড়ির লাইন অনেক দীর্ঘ হয়। ফাস্ট ট্র্যাক লেন ব্যবহার করে টোল প্লাজায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়ি পারাপার করা সম্ভব হচ্ছে। ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিঃ এর নেক্সাস-পে অথবা রকেট একাউন্ট এর টোল কার্ড ব্যবহার করে উক্ত সুবিধাটি পাওয়া যায়। সুবিধাটি পেতে গাড়ির নম্বরটি টোল কার্ডের সাথে ডাচ- বাংলা ব্যাংক এর যেকোন শাখা, ফাস্ট ট্র্যাক বা নেক্সাস-পে থেকে রেজিস্টেশন করে টোল কার্ডের প্রয়োজনীয় ব্যালেন্স নিশ্চিত করা হয়। আর সহজেই ব্যবহারকারীর গাড়িতে বিদ্যমান সচল ও কার্যকর Radio-Frequency Identification(RFID) ট্যাগের মাধ্যম টোল প্রদান করা যায়। নগদ টাকা প্রদানের জন্য কাউকে টোল প্লাজায় এক মুহূর্তও অপেক্ষা করতে হয় না। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ও বাধাহীনভাবে ফাস্ট ট্র্যাক লেন ব্যবহার করে যানবাহনসমূহ টোল প্লাজা অতিক্রম করতে পারে। তাই বেশি বেশি ফাস্ট ট্র্যাক ব্যবহার করবো, দ্রুত সেতু পার হব।
তাছাড়া, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন পদ্মা সেতুতে নন-স্টপ ও ক্যাশলেস Electronic Toll Collection (ETC) সেবা ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ হতে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে। টোল প্লাজায় কোন বিরতি ছাড়াই সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতিতে যানবাহন পারাপার সম্ভব হচ্ছে। বিরতিহীন এই সেবায় ISO 12813 মান অনুযায়ী অনলাইন টোল ট্রানজেকশনে বিআরটিএ-এর RFID ট্যাগের encrypted data ব্যবহৃত হচ্ছে যার ফলে গাড়ির নম্বরপ্লেট জালিয়াতি সম্ভব নয় ও নতুন কোনো পদ্মা সেতুর বিশেষায়িত ট্যাগ এর প্রয়োজন নেই এবং ডেটা ট্রান্সফারের জন্য Secure VPN ব্যবহৃত হচ্ছে, যা ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন Aspire to Innovate (a2i) এবং D-toll ওয়ালেটের পাশাপাশি ট্রাস্ট ব্যাংকের TAP, বিকাশ ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের মাধ্যমে ETC ট্রানজেকশন করা যাচ্ছে এবং নগদ, ডাচ বাংলা ব্যাংক U-Payসহ অন্যান্য ব্যাংক ও ফাইনান্সিয়াল প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযুক্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যেন ভোক্তাকে কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভরশীল হতে না হয়।