কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬ এ ১১:৩৯ AM

প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পসমূহ

কন্টেন্ট: পাতা

(১) যমুনা নদীর উপর ২য় যমুনা সেতু নির্মাণ প্রকল্প (Construction of 2nd Jamuna Bridge over the River Jamuna)


২য় যমুনা সেতু নির্মাণ বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুত প্রকল্প। যমুনা সেতু ব্যবহার করে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২২০০০-২৩০০০ গাড়ি চলাচল করছে এবং প্রতিনিয়ত এটি আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া, বিদ্যমান যমুনা সেতু সংকীর্ণ ৪ লেনের হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে যানজট হচ্ছে। তাছাড়া, বর্তমানে যমুনা সেতুর ‌দুই পাশের দুই লেনের সার্ভিস সড়কসহ মোট ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। যমুনা সেতুর বিকল্প সংযোগ হিসেবে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তরাঞ্চলের যাতায়াত নিবির্ঘ্ন করার লক্ষ্যে ২য় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।। সেতু নির্মাণের সম্ভাব্য অ্যালাইনমেন্টসমূহ হলো-
ক) বগুড়া-জামালপুর জেলার মধ্য দিয়ে যমুনা নদীর ওপর সেতু;
খ) গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত সেতু; অথবা
গ) অন্য কোনো উপযুক্ত করিডোর।

(২) পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া অবস্থানে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু (Construction of 2nd Padma Bridge on Paturia-Daulatdia Point)


পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ২য় পদ্মা সেতু বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুত প্রকল্প। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া পয়েন্টে ২য় পদ্মা সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ২য় পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন প্রকল্পের প্রতিবেদনে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া (গোয়ালন্দ) অ্যালাইনমেন্টে ২য় পদ্মা সেতু নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে।

(৩) বরিশাল-ভোলা সড়কে কালাবদর ও তেঁতুলিয়া নদীর উপর সেতু নির্মাণ (Construction of Bridge on Barisal-Bhola Road over the River Kalabadar and Tentulia)


বরিশাল-ভোলা সড়কে কালাবদর ও তেতুলিয়া নদীর উপর সেতু নির্মাণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী জনসভায় প্রতিশ্রুত প্রকল্প । এ সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে ইতঃপূর্বে সম্পাদিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে প্রকল্পের আওতায় পুনরায় যাচাই করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রস্তুতকৃত হালনাগাদ খসড়া পিডিপিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে গত ০৬ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগে এবং একই তারিখে বৈদেশিক সহায়তা প্রাপ্তির লক্ষ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)-তে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশ এবং জাপান সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আলোকে অনুষ্ঠিত ৭ম প্লাটফর্ম সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পটি পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ০৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। “বরিশাল-ভোলা সড়কে কালাবদর ও তেঁতুলিয়া নদীর উপর সেতু নির্মাণ” প্রকল্প ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আরএডিপিতে অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় (সবুজ পাতা) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

(৪) শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়কে মেঘনা নদীর উপর সেতু নির্মাণ (Construction of Bridge over the River Meghna on Chandpur-Shariatpur Road)
শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়কে মেঘনা নদীর উপর ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্ণিত সেতুটি ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে সুপারিশ করা হয়েছে। প্রকল্পের পিডিপিপি প্রণয়নপূর্বক নীতিগত অনুমোদন গ্রহণের জন্য গত ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের নিমিত্ত ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া, বর্ণিত সেতুটি কোরিয়া এক্সিম ব্যাংক এর অর্থায়নে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে EDCF Framework Agreement 2023-27 এ অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বর্ণিত প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ সময়ে পাইপলাইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশ এবং জাপান সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আলোকে অনুষ্ঠিত ৭ম প্লাটফর্ম সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পটি পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ০৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়া, প্রকল্পটি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আরএডিপিতে অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় (সবুজ পাতা) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ সহজ হবে। বর্তমানে এ অ্যালাইনমেন্টে ফেরির মাধ্যমে যোগাযোগ বিদ্যমান রয়েছে। সেতুটি নির্মিত হলে খুলনা ও বরিশালের সাথে চট্টগ্রাম ও সিলেটের যোগাযোগ সহজতর হবে (ভ্রমণ সময় ও দূরত্ব কমবে)।

(৫) পিপিপি ভিত্তিতে ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ (Construction of Dhaka East-West Elevated Expressway on PPP Basis)


ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বালিয়াপুর হতে নিমতলী-কেরানিগঞ্জ-ফতুল্লা-বন্দর হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লাঙ্গলবন্দ পর্যন্ত ৩৯.২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গত ০৮ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে Cabinet Committee on Economic Affairs (CCEA) এর সভায় প্রকল্পটি পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে। Transaction Advisor হিসেবে IIFC-কে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে Transaction Advisor কার্যক্রম চলমান আছে। এটি নির্মিত হলে ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার যানজট অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

(৬) ধলেশ্বরী নদীর উপর ২য় মুক্তারপুর সেতু নির্মাণ (Construction of 2nd Mukterpur Bridge over the River Dhaleswari)


বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন ২ লেন বিশিষ্ট ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী (মুক্তারপুর সেতু) সেতুর নির্মাণ কাজ China Road & Bridge Corporation (CRBC)'র মাধ্যমে ২০০৮ সালে বাস্তবায়ন করা হয়। বর্তমানে পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়কটি ৪ লেনে উন্নীত করা হচ্ছে এবং সেতুর অপর প্রান্তের সড়কও ৪ লেনের রয়েছে। উল্লেখ্য, এই এলাকায় অনেক শিল্প কারখানা গড়ে উঠায় ট্র্যাফিক সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সেতুর উপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। এ বাড়তি চাপ মোকাবিলাসহ সার্বিক অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় বর্তমান সেতুর পাশে ২ লেনের আরও একটি সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। ইতোমধ্যে, চীনের নির্মাণ প্রতিষ্ঠান CCCC'র সহযোগী প্রতিষ্ঠান China Road & Bridge Corporation (CRBC) তাদের নিজ খরচে বর্ণিত সেতুর পাশে ২য় আরেকটি সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করছে। উল্লেখ্য, প্রকল্পের পিডিপিপি ২৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখ পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। চীন সরকারের শতভাগ অর্থায়নে ২য় মুক্তারপুর মৈত্রী সেতু নির্মাণের অনুরোধ জানিয়ে সেতু বিভাগ হতে ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ ও ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

(৭) ভূলতা-আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর সড়কে মেঘনা নদীর উপর সেতু নির্মাণ (Construction of Bridge over the River Meghna on Bhulta-Araihazar-Bancharampur Road)


ভূলতা-আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর সড়কে মেঘনা নদীর উপর সেতু নির্মণে ২০২০ সালে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়। অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১৯ আগস্ট ২০২০ তারিখের সভায় ভূলতা-আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর সড়কে মেঘনা নদীর উপর সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি পিপিপি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের বিষয়ে নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়। বিশনন্দী-কড়ইকান্দি ফেরীঘাট অবস্থানে প্রস্তাবিত সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ৩.৩১ কিলোমিটার ও উভয় প্রান্তের সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য হবে ৪.৪ কিলোমিটার। প্রকল্পের VGF Proposal অর্থ বিভাগ কর্তৃক নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। পিপিপি ভিত্তিতে সেতুটি নির্মাণে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রস্তাবিত এ সেতুটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও নবীনগরের সাথে ঢাকা ও অন্যান্য জেলার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট হাইওয়ের বিকল্প অ্যালাইনমেন্ট হিসেবে কাজ করবে।
(৮) ঢাকা এলিভেটেড ইনার সার্কুলার রিং রোড (পূর্ব অংশ) নির্মাণ প্রকল্প [Construction of Dhaka Elevated Inner Circular Ring Road (Eastern Part)]


ঢাকা এলিভেটেড ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণে ২০২৪ সালে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা এলিভেটেড ইনার সার্কুলার রিং রোডের অ্যালাইনমেন্টের মোট দৈর্ঘ্য ৮৮.০০ কিলোমিটার। তন্মধ্যে প্রায় ২৫.৮০ কি.মি. এলিভেটেড রোড বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হবে।

ভবিষ্যতে বাস্তবায়িতব্য সম্ভাব্য প্রকল্প

(১) ঢাকা শহরে সাবওয়ে নির্মাণ (Construction of Dhaka Subway)
ঢাকা শহরে সাবওয়ে নির্মাণে ২০২২ সালে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সমীক্ষা প্রতিবেদনে ১২টি রুটে মোট ২৫৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সাবওয়ে নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য ৪টি রুটের বিবরণ নিম্নরূপ:

ঢাকা সাবওয়ে রুট “O” এর বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণ:
ঢাকা শহরের টঙ্গী হতে মহাখালী এবং সদরঘাট হয়ে ঝিলমিল পর্যন্ত সাবওয়ে রুট “O” নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ রুটের দৈর্ঘ্য ৩৪.৯২ কিলোমিটার এবং মোট স্টেশন সংখ্যা ২৪টি। এটি নির্মিত হলে ঢাকা শহরের উত্তর অংশ হতে দক্ষিণ অংশে যাতায়াত সহজ হবে। এছাড়া, এ রুট নির্মিত হলে MRT-6 এবং MRT-2 এর উপযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ঢাকা সাবওয়ে রুট “B” এর বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণ:
ঢাকা শহরের গাবতলী হতে বিসিএসএওএইচএস (ঢেলনা) পর্যন্ত সাবওয়ে রুট “B” নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ রুটের দৈর্ঘ্য ২২.৮৯ কিলোমিটার এবং মোট স্টেশন সংখ্যা ১৪টি। এটি নির্মিত হলে ঢাকা শহরের পশ্চিম অংশ হতে পূর্ব অংশে যাতায়াত সহজ হবে। গাবতলীতে MRT-2 এবং MRT-5 এর লাইন থাকবে। এছাড়া, সাবওয়ের “B” রুট MRT-6 এবং MRT-1 এর সাথে সংযুক্ত হবে।

ঢাকা সাবওয়ে রুট “S” এর বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণ:
ঢাকা শহরের কেরাণীগঞ্জ হতে কাঁচপুর পর্যন্ত সাবওয়ে রুট “S” নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ রুটের দৈর্ঘ্য ২৫.২২ কিলোমিটার এবং মোট স্টেশন সংখ্যা ১৫টি। এটি নির্মিত হলে ঢাকা শহরের পূর্ব অংশ হতে পশ্চিম অংশে যাতায়াত সহজ হবে। এছাড়া, এ রুট নির্মিত হলে MRT-6 এবং MRT-2 এর উপযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ঢাকা সাবওয়ে রুট “T” এর বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণ:
নারায়ণগঞ্জ হতে উত্তরা সেক্টর-১৬ পর্যন্ত সাবওয়ে রুট “T” নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ রুটের দৈর্ঘ্য ৪৫.১১ কিলোমিটার এবং মোট স্টেশন সংখ্যা ৩২টি। এটি নির্মিত হলে নারায়ণগঞ্জ শহরের সাথে ঢাকা শহরের উত্তর অংশের যাতায়াত সহজ হবে। এছাড়া, নারায়ণগঞ্জে MRT-4 এর লাইন সংযুক্ত হবে।

(২) দেশের দ্বীপ অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য সেতু/টানেল নির্মাণ
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে (২০২০-২০৫০) দেশের দ্বীপ অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য নিম্নোক্ত প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে:

১। ভোলা-লক্ষ্মীপুরের মধ্যে মেঘনা নদীর উপর সেতু
২। কক্সবাজার-মহেশখালী চ্যানেলে সেতু/টানেল
৩। লংগদুতে কাপ্তাই হ্রদের উপর সেতু
৪। দশমিনা-চরভূতা এলাকায় তেঁতুলিয়া নদীর উপর সেতু
৫। মুসাপুর (নোয়াখালী)-উরিরচর দ্বীপ সেতু
৬। শুকচর (হাতিয়া দ্বীপ)-শান্তিপুর (নোয়াখালী) সেতু
৭। বাঁশখালী-কুতুবদিয়া দ্বীপ সেতু
৮। সীতাকুণ্ড ও সন্দ্বীপ দ্বীপের মধ্যে সন্দ্বীপ চ্যানেলের উপর সেতু

৩) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে চিহ্নিত অন্যান্য সম্ভাব্য প্রকল্প

ক্রম.

প্রকল্পের নাম

১।

গজারিয়া-মুন্সিগঞ্জ সড়কে মেঘনা নদীর উপর সেতু নির্মাণ

২।

রাজবাড়ী-পাবনা সড়কে পদ্মা নদীর উপর সেতু নির্মাণ

৩।

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী-রৌমারী সড়কে ব্রহ্মপুত্র নদের উপর সেতু নির্মাণ

৪।

সুনামগঞ্জ-নেত্রকোণা সড়কে হাওড়ের উপর এলিভেটেড সড়ক নির্মাণ

৫।

বাকেরগঞ্জ-বাউফল সড়কে কারখানা নদীর উপর সেতু নির্মাণ

৬।

বরগুনা-পাথরঘাটা সড়কে বিষখালী নদীর উপর সেতু নির্মাণ

৭।

কঁচা নদীর উপর ভাণ্ডারিয়া-পিরোজপুর-চরখালী-ঝালকাঠি সড়কে সেতু নির্মাণ

৮।

মেরিন ড্রাইভ সড়কে সাঙ্গু নদীর উপর সেতু নির্মাণ

৯।

শাল্লা এবং জগন্নাথপুরের মধ্যে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ

১০।

চাঁদপুর ইকোনোমিক জোন (ইজেড)-২ এর সাথে মেঘনা নদীর উপর সেতু নির্মাণ

১১।

চাঁদপুর ইকোনোমিক জোন (ইজেড)-১ এর সাথে মেঘনা নদীর উপর সেতু নির্মাণ

১২।

মোংলা বন্দরে পশুর নদীর উপর সেতু নির্মাণ

১৩।

দিঘলিয়া ও টুটপাড়ার মধ্যে রূপসা নদীর উপর খুলনা ওভারপাস নির্মাণ

১৪।

কেন্দুয়া এবং তাড়াইলের মধ্যে হাওড় এলাকায় এলিভেটেড সড়ক নির্মাণ

১৫।

সিলেটে সার্কিট হাউস থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত এলিভেটেড সড়ক নির্মাণ

১৬।

কর্ণফুলী নদীতে দ্বিতীয় টানেল নির্মাণ

১৭।

কুষ্টিয়া-পাবনা সড়কে পদ্মা নদীর উপর সেতু নির্মাণ

১৮।

হাতিয়া-নোয়াখালী দ্বীপের সাথে সেতু নির্মাণ

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন