কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ এ ০১:০৯ AM
কন্টেন্ট: প্রকল্প প্রকল্পের ধরন: (নেই)
| প্রকল্পের নাম | যমুনা সেতু | ||
| প্রকল্পের অবস্থান | ভুয়াপুর, টাঙ্গাইল। | ||
| ম্যাপ |
| ||
| প্রাক্কলিত ব্যয় |
| ||
| নির্মাণের কারণ | বাংলাদেশের পূর্ব এবং পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে কৌশলগত সেতুবন্ধন তৈরী করা। | ||
| অর্থনৈতিক প্রভাব | আন্ত: আঞ্চলিক বানিজ্যকে উৎসাহিত করেছে। সড়ক ও নৌপথে দ্রুত পন্য এবং যাত্রী পরিবহন ছাড়াও এটি বিদ্যুৎ ও প্রাকৃতিক গ্যাস বিজ্ঞান এবং সমম্বিত টেলিযোগাযোগ ব্যবস্হার উন্নতি সাধন করেছে। সেতুটি চালু হওয়ার পর হতে এ সেতু দিয়ে পূর্বাভাসের তুলনায় অধিক টোল আদায় হচ্ছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ সেতু হতে ৭৪৪ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা টোল বাবদ আদায় হয়েছে। যমুনা বহুমুখী সেতু দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে। এ সেতু নির্মাণের ফলে যাতায়াত ব্যবস্থা যেমন সহজতর হয়েছে তেমনি উত্তরাঞ্চলে কৃষি পণ্যাদি উৎপাদনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কৃষক তার পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলে শিল্প প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠছে। দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ সেতু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এই সেতুটি এশিয়া মহাসড়ক এবং আন্ত:এশিয়া রেলপথের মধ্যবর্তী। ফলে এগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হবার পর এই সেতু নির্মান এশিয়া থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে উত্তর পশ্চিম ইউরোপ পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্ন সড়ক ও রেল যোগাযোগ সৃষ্টি করবে | ||
| জিডিপি-তে ইতিবাচক প্রভাব | - | ||
| প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা | প্রধান সেতু দৈর্ঘ্য: ৪.৮ কি.মি. সেগমেন্ট সংখ্যাঃ ১২৬৩ টি একটি রেলওয়ে ট্র্যাক (ডুয়েল গেজ বিশিষ্ট)
০১। প্রধান সেতু নির্মাণ সম্পকিত তথ্যাদিঃ
০২। নদীশাসন কাজের ভৌত বৈশিষ্ট্যঃ- পূর্ব গাইড বাঁধ ও পশ্চিম গাইড
পূর্ব গাইড বাঁধের ভৌত অবকাঠামোগত বৈশিষ্ট্যঃ-
পশ্চিম গাইড বাঁধের ভৌত অবকাঠামোগত বৈশিষ্ট্যঃ-
০৩। পূর্ব সংযোগ সড়কের অবকাঠামোগত বৈশিষ্ট্যঃ-
০৪। পশ্চিম সংযোগ সড়কের অবকাঠামোগত বৈশিষ্ট্যঃ-
কন্টাক্ট-৭, পূর্ব বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কাম সংযোগ সড়কঃ ৮ কি.মি. কন্টাক্ট-৮, পশ্চিম বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কাম সংযোগ সড়কঃ ৭.৮ কি.মি. | ||
| বাস্তবায়ন অগ্রগতি | সম্পাদিত। যমুনা সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়। | ||
| ছবি | ![]() |